সারাদিন খুসখুস শুকনো কাশি... কিছুতেই কমছে না। কি কি করা উচিত!

শীত এখন শেষের দিকে গরম প্রায় পড়তে শুরু করেছে। আর অনেকেরই এখনো মানে শীত থেকে গরমের দিকে যখন যাচ্ছে এই সময় অথচ শুকনো কাশি হচ্ছে কিন্তু সর্দি একটুও নেই। এই কাশির প্রকোপ এমনই বেড়ে যাচ্ছে যে রাতে ঠিক করে ঘুমটাও হচ্ছে না। এই শুকনো কাশি থেকে কিভাবে মুক্তি পাওয়া যাবে তাও ঘরোয়া উপায়ে আজ সেটাই জানাবো তোমাদের।
অনেকেরই কিন্তু এই শুকনো কাশির সমস্যা হয়েছে কিন্তু ঠিক বোঝা যাচ্ছে না কেন হঠাৎ এমন হচ্ছে। অনেক সময় দেখা যায় যে তোমার হয়তো কিছুদিন আগে একটু জ্বর হয়েছিল বা ভাইরাল ইনফেকশন হয়েছে অথবা ইনফ্লুয়েঞ্জা হয়েছে তারপর থেকে এ শুকনো কাশি টা শুরু হয়েছে। আবার হয়তো একটু ঠান্ডা লেগে ছিল। সর্দিটা ঠিক হয়ে গেছে কিন্তু তারপর থেকেই এই শুকনো কাশিটা শুরু হয়েছে। আর এই শুকনো কাশিটা এতই বিরক্তিকর যে রাতে ঘুমটাও কেড়ে নিচ্ছে যার ফলে সকালে কাজ করার সমস্ত এনার্জি চলে যাচ্ছে।

এবার বলি ডাক্তারদের কথা। তারা বলছেন এই শুকনো কাশিটা বেশিরভাগ সময় হয় যখন আমরা শ্বাস নিই ট্র্যাকিয়ার মাধ্যম দিয়ে আমাদের ফুসফুসে পৌঁছয়। যখন ট্রাকিয়ারের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে তখন লেফট ব্রংকাস এবং রাইট ব্রংকাসে ভাগ হয়ে গিয়ে ফুসফুসের বিভিন্ন দিকে চলে যাচ্ছে। এবার যখন আমাদের ইনফেকশন হয় তখন এই ব্রংকাসের দেওয়াল গুলো অতি সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। আর তার জন্য সেই জায়গাটায় একটু আঘাতপ্রাপ্ত হয়। এই সংবেদনশীল অবস্থায় আমাদের শরীর নিজস্ব কিছু প্রতিরোধ ক্ষমতা রাখে। সেটাই কাশির মাধ্যমে বের করে দিতে চায়। আর এই কাশিটা তখনই হয়। কিন্তু আমরা এটাকে আটকানোর জন্য বিভিন্ন ঘরোয়া পদ্ধতি ব্যবহার করি ঠিকই। কিন্তু কাজটা খুব তাড়াতাড়ি কিন্তু কমেনা।

এই সময় অবশ্যই কোন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। এই সময় অনেকেই ইনহেলারের পরামর্শ দেন। কিন্তু আমরা ভাবি আমাদের তো অ্যাজমা নেই তখন আমরা ইনহেলার কেন নেব। আসলে ইনহেলার তখন কি করে আমাদের ব্রংকাসের ওই সংক্রমিত অংশটাকে সেটাকে খুব তাড়াতাড়ি সারিয়ে দেয়। এছাড়া ঘরোয়া পদ্ধতি যদি বলা যায় তাহলে প্রথমেই বলব ভেপার নেওয়া। গরম জলে ভাপ নিলে কিন্তু খুব তাড়াতাড়ি আমাদের সর্দি-কাশির সমস্যা মিটে যায়। আবার যদি গরম জল খাওয়া যায় এই সময় তাহলে কিন্তু গলাটা অনেক আরাম পায়। আবার নুন জলে যদি গার্গেল করা যায় তাহলেও কিন্তু গলাটা অনেক আরাম হয়। আবার হয়তো খুব কাশি হচ্ছে অনেকক্ষণ ধরে সেই সময় এক চামচ চিনি এবং একটু মধু যদি খেয়ে নেওয়া যায় তাহলে কিন্তু চট জলদি আরাম পাওয়া যায়। আবার পুদিনা পাতার চা যদি খাওয়া যায় তাহলে কিন্তু খুব ভালো কাজ হয়।

এমনই বিভিন্ন উপায় যদি জানতে চান তাহলে অবশ্যই নিচের লিঙ্কটি ক্লিক করুন সেই সঙ্গে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেল Bengal Fusion.


