বর্তমান জীবনে আমাদের বাঁচার জন্য ইতিবাচক হওয়ার প্রয়োজনীয়তা কতটা এবং কেন? মনোবিদ কি বলছেন | Jayita Saha

বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে আমরা কিছু লোককে দেখছি যারা ভাবছেন এই পরিস্থিতিতে যথাযথ সুরক্ষা নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। আর কতদিন গৃহবন্দী হয়ে থাকবো! আবার কিছু মানুষ আছেন যারা ভাবছেন, বেরোলেই মরে যাবো। এটা করো না, ওটা করো না। ফলে দেখতেই পাচ্ছেন দুটো সম্পূর্ণ ভিন্ন চিন্তা ভাবনা। একদিকে ইতিবাচক চিন্তা আর অন্য দিকে নেতিবাচক। এক্ষেত্রে আপনার মধ্যে যেটা থাকবে সেটাই এই কঠিন পরিস্থিতি বেড়িয়ে আসবে।
পরিস্থিতিটা এক শুধু মানুষের ওপর নির্ভর করে সেটাকে সে কীভাবে গ্রহণ করছে বা দেখছেন। এটা অর্ধেক গ্লাস জলের উদাহরণের মত। যিনি ইতিবাচক চিন্তাভাবনা করেন তিনি বলবেন, এটা অর্ধেক ভর্তি। অন্যদিকে যিনি নেতিবাচক তিনি বলবেন, এটা অর্ধেক খালি।

যে সবসময় ইতিবাচক চিন্তা করেন তিনি সর্বদাই চেষ্টা করবেন একটা উদ্দেশ্য ঠিক করে এগিয়ে যেতে। সবসময় মনে আশা রাখবেন এবং যদি একটা পদ্ধতিতে তার উদ্দেশ্য সফল না হয়, তাহলে সে প্ল্যান বি, সি তৈরী করে রাখবেন। এবং সে যেটুকু পাবেন সেটার জন্যেই কৃতজ্ঞ থাকবেন। এই ইতিবাচক অনুভূতি গুলোই যেমন আশা, কৃতজ্ঞতা থাকলে আপনি যেকোনো খারাপ পরিস্থিতিতে এগিয়ে যেতে পারবেন। এছাড়া এই ইতিবাচক অনুভূতিগুলোই খারাপ পরিস্থিতিতে আপনাকে শারীরিক এবং মানসিক ভাবে সবল করে রাখবে। আর একটা বিষয় এই মানসিক স্বাস্থ ঠিক থাকলে, আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
অন্যদিকে আপনি যদি সব সময়ই নেতিবাচক চিন্তা ভাবনা করেন তাহলে আপনার মধ্যে সর্বদাই খারাপ চিন্তা ভাবনা আসবে এবং আপনি সেই নেতিবাচক অনুভূতি অন্যে মধ্যেও সঞ্চার করেবেন। আপনি সকাল থেকে উঠে সারক্ষণ নেতিবাচক খবরগুলোই শুনছেন বা পড়ছেন। দেখুন খবরের কাগজের উদ্দেশ্য হলো খবর বিক্রি করা। তাই তারা ইতিবাচক খবর বিক্রি করবেন না। আপনার আমরা সেই নেতিবাচক খবর পড়ে আমাদের মধ্যেও একটা নেতিবাচক অনুভূতি তৈরী করি। আমরা বিষয়টা খতিয়ে দেখিনা বা নিজেদের বাস্তব উপলব্ধিকে অবজ্ঞা করে সেই নেতিবাচক বিষয়গুলোর দিকে এগিয়ে যাই।

তাই সর্বোপরি একটাই বিষয় আপনাদের আমাদের মনে রাখতে হবে যে, জীবনে যতই ঝড় অসুক না কেন! ঝড় কিন্তু একদিন থেমে যাবেই।
সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন। এই বিষয়ে আরও বিশদে জানতে আমরাদের Bengal Fusion চ্যানেলটিকে সাবস্ক্রাইব করুন এবং নীচে দেওয়া ভিডিওর লিঙ্কটিতে ক্লিক করুন।


